ব্যর্থতার মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বৈঠক, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে তেহরানের গুরুতর অভিযোগ!

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রস্তাবিত দ্বিতীয় দফার আলোচনা গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে অংশ নেওয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচকদের পাকিস্তানে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ফলপ্রসূ আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।

অচলাবস্থার নেপথ্যে বৈরিতা ও অভিযোগ

ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে অবাস্তব শর্তারোপ করছে এবং ক্রমাগত নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে দ্বিমুখী আচরণ করছে। বিশেষ করে মার্কিন নৌ-অবরোধকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে তেহরান। ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ‘ব্লেম গেম’ খেলছে এবং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তারা বৈঠকে যোগ দেওয়ার ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অনিশ্চিত প্রভাব

এদিকে একটি ইরানি জাহাজে মার্কিন অভিযানের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পাল্টা অভিযোগ তুললেও একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোচনায় বসা সম্ভব নয়। ২২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো সমাধান না এলে পুরো অঞ্চলে সংঘাতের আশঙ্কা আরও প্রকট হতে পারে।

এক ঝলকে

  • ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসতে ইরানের সাফ মানা।
  • মার্কিন নৌ-অবরোধ ও শর্ত পরিবর্তনের বিষয়টিকে আলোচনার প্রধান বাধা হিসেবে দেখছে তেহরান।
  • ২২ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আলোচনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পথে।
  • অবরোধ প্রত্যাহার না হলে কোনো সমঝোতা নয় বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *