কেদারনাথের পরেও বাকি রইল অসম্পূর্ণ এক পুণ্যযাত্রা!

বার্তা ডেস্কঃ

উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধাম দর্শনের পর নেপালের পশুপতিনাথ মন্দির দর্শন না করলে তীর্থযাত্রা আসাম্পূর্ণ থেকে যায়—এমনটাই প্রচলিত রয়েছে সনাতন ধর্মে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর পাপমোচনের উদ্দেশ্যে পাণ্ডবরা দেবাদিদেব মহাদেবকে খুঁজতে বের হলে শুরু হয় পঞ্চ কেদারের পৌরাণিক ইতিহাস। বিশ্বাস করা হয়, শিবের দেহ বা পিঠ উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে এবং তাঁর মস্তক বা মাথা নেপালের কাঠমান্ডুতে পতিত হয়েছিল। এই দুই পবিত্র স্থানের মিলন ছাড়া শিবের পূর্ণ রূপ কল্পনা করা যায় না, যা ভক্তদের মোক্ষ লাভের পথ প্রশস্ত করে।

এই দুই বিখ্যাত মন্দিরের মধ্যকার আত্মিক ও ঐতিহাসিক যোগসূত্র কেবল পৌরাণিক আখ্যানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তব প্রথার মাধ্যমেও জোরালোভাবে প্রকাশ পায়। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কেদারনাথ মন্দিরের রাওয়াল বা প্রধান পুরোহিতরা নেপালের বংশোদ্ভূত হয়ে আসছেন এবং আজও তাঁরাই পশুপতিনাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত নিয়োগ করে থাকেন। ভক্তদের প্রগাঢ় বিশ্বাস অনুযায়ী, কেদারনাথে মহাদেবের কঠিন রূপ এবং পশুপতিনাথে তাঁর কৃপা ও করুণার দর্শন মিলে পূর্ণতা পায় পরম আধ্যাত্মিক শান্তি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *