ইস্তফা দিয়েও নিস্তার নেই! পাক ক্রিকেট বোর্ডের আজব কাণ্ড দেখে হাসছে বিশ্ব
বার্তা ডেস্কঃ
পাক ক্রিকেটে হাস্যকর কাণ্ড: ইস্তফা দেওয়া নির্বাচককেও পিসিবি-র শো-কজ!
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং নিত্যনতুন বিতর্ক যেন একই মুদ্রার এ পিঠ-ও পিঠ। এ বার জাতীয় দলের দল নির্বাচন নিয়ে এক অভূতপূর্ব কাণ্ড ঘটিয়ে আবার হাসির পাত্র হলেন মহসিন নকভিরা। পুরো জাতীয় নির্বাচক কমিটিকেই কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিস ধরাল বোর্ড, যার মধ্যে রয়েছেন এমন এক সদস্য যিনি আগেই পদত্যাগ করেছেন!
মূল ঘটনার সূত্রপাত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ০-২ ব্যবধানে পাকিস্তানের পিছিয়ে পড়ার পর। ইংল্যান্ড সফরে থাকা বাবর আজমদের দল থেকে হুট করেই সাত জন ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে আনে বোর্ড। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইমাম-উল-হক এবং মহম্মদ রিজওয়ানও। অভিযোগ, নির্বাচক কমিটির সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই পিসিবি কর্তারা এই সিদ্ধান্ত নেন।
বোর্ডের এমন একতরফা সিদ্ধান্তে অপমানিত বোধ করে মঙ্গলবারই নির্বাচক কমিটির পদ থেকে ইস্তফা দেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা-উল-হক। তাঁর স্পষ্ট দাবি ছিল, ইংল্যান্ডের মাঝপথ থেকে ক্রিকেটারদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তাঁকে কিছুই জানানো হয়নি।
কিন্তু নাটকের আসল বাকি ছিল এর পরেই!
মিসবার ইস্তফা গ্রহণ করা তো দূরের কথা, পিসিবি-র চিফ অপারেটিং অফিসার সুমেইর আহমেদ পুরো নির্বাচক কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইমাম ও রিজওয়ানের দল নির্বাচনের যৌক্তিকতা ও পারফরম্যান্সের মানদণ্ড নিয়ে জবাবদিহি করতে বলেছেন। অর্থাৎ, ইস্তফা দেওয়া সত্ত্বেও মিসবাকেও শোকজ করা হয়েছে!
আকিব জাভেদ, সরফরাজ আহমেদ বা আসাদ শফিকের মতো বহাল থাকা নির্বাচকদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার একটা যুক্তি থাকে, কিন্তু পদত্যাগ করা মিসবার কাছে জবাবদিহি চাওয়া পিসিবি-র পেশাদারিত্ব ও প্রশাসনিক অদক্ষতাকেই জনসমক্ষে উন্মোচিত করেছে।