একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘সুপরিকল্পিত আত্মসমর্পণ!’ গালওয়ান থেকে চারণভূমি—চিন ইস্যুতে বিদ্ধ প্রধানমন্ত্রী
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20269:33 am
নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের হাই-প্রোফাইল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষ হতেই দেশের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বেজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই প্রচেষ্টাকে কেন্দ্রের ‘সুপরিকল্পিত আত্মসমর্পণ’ বলে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস।
ব্রিকস মঞ্চে চিনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে সেই আলোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই সরকারের চিন নীতিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, সরকারের এই নরম মনোভাবের কারণে দেশের কৌশলগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে ৪টি সরাসরি ও কড়া প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জয়রাম রমেশ:
- ২০২০-র বিতর্কিত মন্তব্য: গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রধানমন্ত্রীর সেই বহুল চর্চিত বক্তব্য—‘কেউ ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকেনি’—আজও কেন প্রত্যাহার করা হলো না?
- সীমান্তে জমি খোয়ানো: পূর্ব লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশে ভারতের কৌশলগত জমি হারানোর দায় কার?
- পশুপালকদের অধিকার হরণ: লাদাখের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমিতে ভারতীয় পশুপালকদের অবাধ প্রবেশাধিকার কেন বন্ধ হয়ে গেল?
- বাণিজ্য ঘাটতি: চিনের সঙ্গে ভারতের রেকর্ড পরিমাণ ও আকাশছোঁয়া বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?
বিশ্বমঞ্চে মোদী-শি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে কূটনৈতিক বরফ গলার সংকেত মিললেও, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গালওয়ান ও সীমান্ত ইস্যু তুলে ধরে কেন্দ্রের ওপর চাপ আরও বাড়াল বিরোধী শিবির।