একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘খাদ্যাভ্যাস চাপানোর চেষ্টা!’ ব্রিকসের ডিনার মেনু নিয়ে সরগরম রাজনীতি
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20269:33 am
নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের প্রথম দিনের নৈশভোজ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কেবল নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোলে ভাটুরের ছবি শেয়ার করে রাহুল দাবি করেন, ভারতের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই আমিষভোজী। অথচ বিদেশি অতিথিদের ওপর জোর করে একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা-ও সুর মিলিয়ে বলেন, বিজেপি সরকারের অভ্যাসের কারণেই আন্তর্জাতিক দরবারে ভারতের সমৃদ্ধ আমিষ খাদ্যসংস্কৃতি তুলে ধরার সুযোগ হাতছাড়া হলো।
ব্রিকসের এই বিশেষ গালা ডিনারে মূলত ভারতের ‘শ্রী অন্ন’ বা মিলেট নীতিকে সামনে রেখেই মেনু সাজানো হয়েছিল। খাণ্ডভি, পনির লাবাবদার থেকে শুরু করে মিলেট পোলাও ও জিলিপির মতো নানা ঐতিহ্যবাহী নিরামিষ পদ পরিবেশন করা হয় বিশ্বনেতাদের।
তবে কংগ্রেসের এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি স্পষ্ট জানান, ব্রিকসের মতো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ডিনার মেনু নিয়ে রাজনীতি করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। বিদেশি অতিথিরা ভারতের এই পুষ্টিকর ও সুস্বাদু নিরামিষ খাবার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।