একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় কলকাতার রাস্তায় কড়া নজরদারি: হেলমেট ও ওভারস্পিডিংয়ে এড়ানোর দিন শেষ, চালু হলো অটোমেটিক ই-চালান
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 202612:34 pm
পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তা পার পাওয়ার দিন এবার সত্যি ফুরিয়ে এল। বাইক চালকদের মধ্যে হেলমেট না পরার প্রবণতা এবং যত্রতত্র বেপরোয়া গতি রুখতে আরও এক ধাপ কঠোর পদক্ষেপ করল লালবাজার। শহরজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হলো সম্পূর্ণ নতুন এবং আধুনিক সিসিটিভি-ভিত্তিক অটোমেটিক ই-চালান সিস্টেম (Automatic E-Challan System)।
এর ফলে ট্রাফিক আইন ভাঙলে আর ট্রাফিক সার্জেন্টের মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরার মাধ্যমেই নিয়মভঙ্গকারীর বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে যাবে জরিমানার নোটিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই আধুনিক ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলি বেশ কড়া। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ক্রসিংগুলিতে বসানো হাই-টেক সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি এখন থেকে আরও নিখুঁতভাবে বাইক চালকদের গতিবিধি এবং মাথায় হেলমেট রয়েছে কি না তা ট্র্যাক করবে। ট্রাফিক রুল ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যামেরার মাধ্যমে গাড়ির নম্বর প্লেট স্ক্যান হয়ে সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-চালান জেনারেট হয়ে যাবে। এরপর নির্দিষ্ট সেই জরিমানার মেসেজ বা চালান সরাসরি গাড়ি মালিকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে পৌঁছে যাবে, যা পরবর্তীতে অনলাইন বা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে পরিশোধ করতে হবে।
শহরের রাস্তায় দুর্ঘটনা কমানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতা বাড়াতেই এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ছুটির দিন থেকে এই কড়া নজরদারি শুরু হওয়ায় শহরজুড়ে বাইক চালকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।