একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুক রাজ্য, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ বাঁচাতে দাবি ফুরফুরার ত্বহার
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20263:33 pm
বাংলায় প্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। বিভিন্ন মাদ্রাসার কার্যপদ্ধতি, পরিকাঠামো, শিক্ষক সংখ্যা, পড়ুয়ার উপস্থিতি এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার পরই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গুরুতর অসঙ্গতি মেলায় আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিস পাঠানো হয়েছে। সংখ্যালঘু এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের করা এই সমীক্ষার পরই জেলা শাসকদের কাছে বন্ধের এই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে।
রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে। ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, কোন ভিত্তিতে বা কী কারণে একযোগে এতগুলি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলো, তা এখনও সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়।
মাদ্রাসার গুরুত্ব তুলে ধরে ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে শুধু ধর্মীয় শিক্ষাই দেওয়া হয় না, বরং সাধারণ স্কুলের সিলেবাস অনুযায়ী আধুনিক শিক্ষাও প্রদান করা হয়। মাদ্রাসার পড়ুয়ারা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি জানান, সরকার চাইলে অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিকে বন্ধ না করে সরকারি অনুমোদন দিয়ে এবং ত্রুটিগুলি শুধরে নিয়ে আরও সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারত। সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘মুসলিম বিরোধী অত্যাচার ও জুলুম’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার জোরালো আর্জি জানিয়েছেন ফুরফুরার পীরজাদা।