একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় মুম্বাই নয়, এবার খাস দিল্লিতে জমে উঠেছে গণেশ উৎসব!
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20263:33 pm
মুম্বাইয়ের চকমকানি ছাড়িয়ে এবার খাস রাজধানী দিল্লিতেও মহাসমারোহে শুরু হয়েছে গণপতি উৎসব। ভক্তিভরে ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ ধ্বনিতে মুখরিত এখন দিল্লি-এনসিআরের চারপাশ। মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী ছোঁয়া আর রাজধানীর আধুনিকতার মিশ্রণে এই পুজো এখন এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।
দিল্লিতে এই আয়োজনের শেকড় বেশ গভীর। ১৯৮৪ সালে পূর্বাঞ্চল মহারাষ্ট্র মণ্ডলের হাত ধরে রাজধানীতে গণেশ পূজার যে ধারা শুরু হয়েছিল, তা আজ মহীরূহে পরিণত হয়েছে। দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় বর্তমানে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি সক্রিয় মারাঠি গোষ্ঠী এই উৎসব পরিচালনা করছে। ব্যস্ত জীবনের মাঝে নিজেদের সংস্কৃতি ও শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে সুপ্রাচীন মারাঠি সম্প্রদায় পরম যত্নে এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রেখেছে। কার্টুনিস্ট মাধব জোশীর নিজ হাতে প্রতিমা তৈরি কিংবা আনন্দ বিহারের প্রশান্ত সাঠের দীর্ঘ ৪৩ বছরের পুজো উদযাপন প্রমাণ করে কতটা গভীরভাবে এই সংস্কৃতিকে লালন করা হচ্ছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসবের পরিধি কেবল মারাঠিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অ-মারাঠি পরিবারগুলোও এতে সমানভাবে শামিল হচ্ছে। জনকপুরীর মতো বাজারগুলোতে মহারাষ্ট্র থেকে আনা মূর্তির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি, ১৪ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহারাষ্ট্র সদনে মারাঠি থিয়েটার, লোকশিল্প এবং লাবণী নৃত্যের জমজমাট আয়োজন রাজধানী দিল্লিকে এক টুকরো মহারাষ্ট্রে পরিণত করেছে।