একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’: গণেশজির নামের পাশে কে এই ‘মোরিয়া’? জানুন অলৌকিক ইতিহাস
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20266:33 pm
গণেশ চতুর্থী বললেই ভক্তদের মুখে মুখে ভেসে ওঠে একটি পরিচিত জয়ধ্বনি— ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’। মহারাষ্ট্র তথা পশ্চিম ভারতের পাশাপাশি ইদানীং পশ্চিমবঙ্গেও গণেশ পুজোকে ঘিরে উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। কলকাতা থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাড়ম্বরে চলছে সিদ্ধিদাতার আরাধনা। কিন্তু বিঘ্নহর্তার কৃপা পাওয়ার জন্য যে ‘মোরিয়া’ শব্দটি আমরা উচ্চারণ করি, তার প্রকৃত অর্থ বা ইতিহাস অনেকেরই অজানা। গণপতির নামের সঙ্গে কেন জুড়ে গেল ‘মোরিয়া’? কে ছিলেন তিনি?
চতুর্দশ শতকের পরম ভক্ত মোরিয়া গোসাবি ‘মোরিয়া’ নামের নেপথ্যে জড়িয়ে রয়েছে চতুর্দশ শতকের এক সিদ্ধ সাধক মোরিয়া গোসাবির ইতিহাস। তিনি মূলত কর্নাটকের শালিগ্রামের বাসিন্দা হলেও পরবর্তীকালে মহারাষ্ট্রের পুনের নিকটবর্তী চিঞ্চওয়াড়ে বসবাস শুরু করেন। অনুশোচনা ও পাপমুক্তির উদ্দেশ্যে তিনি গণেশের কঠোর তপস্যা শুরু করেছিলেন।
কথিত আছে, তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তি ও সাধনায় সন্তুষ্ট হয়ে সিদ্ধিদাতা তাঁকে দর্শন দেন। মোরিয়াজি শ্রী চিন্তামণি ও সিদ্ধিবিনায়কের দর্শনেও যান এবং পরবর্তীতে তাঁর পুত্রে দ্বারা চিঞ্চওয়াড়ে একটি ঐতিহাসিক মন্দির নির্মিত হয়। ভক্তদের কাছে তিনি ছিলেন গণপতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুরাগী।
বরের মাধ্যমে অমর ভক্তি পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মোরিয়া গোসাবির কঠোর ভক্তিতে প্রসন্ন হয়ে স্বয়ং গণপতি বাপ্পা তাঁকে বর প্রার্থনা করতে বলেন। সাধক মোরিয়াজি নিজের জন্য কোনো জাগতিক সুখ না চেয়ে কেবল এই বর চান, যেন সিদ্ধিদাতার পুজো ও স্মরণের সঙ্গে তাঁর নামটিও চিরদিনের জন্য যুক্ত থাকে। ভগবান গণেশ তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভক্তিতে সাড়া দেন। সেই থেকেই গণেশ আরাধনায় ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ ধ্বনি দেওয়া প্রথা হয়ে দাঁড়ায়।
গণেশ পুজোর শুভ সময় ও তিথি পঞ্জিকা অনুসারে, ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে ভাদ্র শুক্লা চতুর্থী তিথি শুরু হয়েছে, যা ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। শাস্ত্র মতে, ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরবেলা গণেশ মূর্তি স্থাপন ও পুজো করার সবচেয়ে শুভ সময়, কারণ পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী এই নির্দিষ্ট সময়েই জন্ম নিয়েছিলেন সিদ্ধিদাতা।