একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় জাপানের মাটিতে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ইতিহাস, ১ লাখের মাইলফলক পার করল মারুতি সুজুকি
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20267:33 pm
বিশ্বের অন্যতম কঠোর মান নিয়ন্ত্রণকারী এবং প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত উন্নত অটোমোবাইল বাজার হিসেবে সুপরিচিত জাপান। সেই কঠিন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে জয় করে ভারতে তৈরি ১ লাখেরও বেশি গাড়ি রপ্তানি করে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক ছুঁল মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় উৎপাদিত আন্তর্জাতিক মানের যানবাহন যে বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত, এই অভাবনীয় সাফল্য তারই বড় প্রমাণ।
মারুতির এই ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে রয়েছে তিনটি জনপ্রিয় মডেল—স্টাইলিশ ‘ফ্রংক্স’ (Fronx), ৫ দরজার শক্তিশালী ‘জিমনি’ (5-door Jimny) এবং সংস্থাটির সর্বকালের প্রথম ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক যান ‘ই-ভিটারা’ (e-Vitara)। ২০২৪ সালের আগস্টে ফ্রংক্স মডেলের আন্তর্জাতিক চালান পাঠানোর মাধ্যমে জাজল বাজারে মারুতির এই বিশেষ যাত্রার সূচনা হয়েছিল। এরপর ২০২৪-এর ডিসেম্বরের শুরুতে ৫-ডোর জিমনির সরবরাহ শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ই-ভিটারা যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এই সাফল্য চূড়ান্ত রূপ নেয়। উল্লেখ্য, ৫ দরজার জিমনি এবং ই-ভিটারা মডেল দুটির সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদন একচেটিয়াভাবে ভারতের কারখানাতেই করা হয়ে থাকে।
এই রেকর্ড সরবরাহের সুবাদে বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জাপান মারুতি সুজুকির দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজারে পরিণত হয়েছিল। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসেও (এপ্রিল থেকে আগস্ট) জাপান তাদের এই শীর্ষ অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে জাপানে সুজুকি মোটর কর্পোরেশনের আমদানি করা সামগ্রিক যানবাহনের প্রায় শতভাগই (১০০%) ভারতের কারখানা থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসাশি তাকেউচি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জাপানে ১ লাখেরও বেশি গাড়ি রপ্তানি করা কেবল একটি পরিসংখ্যানগত রেকর্ড নয়; এটি ভারতের বিশ্বমানের উৎপাদন উৎকর্ষতা এবং নিখুঁত প্রযুক্তির এক অতি শক্তিশালী স্বীকৃতি। জাপানের মতো কঠোর ও চ্যালেঞ্জিং বাজারের ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করতে পারা আমাদের শিল্পের মুকুটে এক নতুন পালক যোগ করল।”
এই মেগা রপ্তানি সাফল্য কেবল সুজুকির বিশ্বমানের গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে ভারতকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং ভারত ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকেও এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।