একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় স্ত্রীর কাটা মাথা ফ্রিজে রাখা সেই অভিযুক্তের সলিল সমাধি! চলন্ত পুলিশের গাড়ি থেকে ঝাঁপ, হাসপাতালে মৃত্যু
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20267:35 am
গুয়াহাটি: স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে কাটা মাথা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখার ঘটনায় অভিযুক্ত রামানুজ গোস্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি। পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে চলন্ত গাড়ি থেকে ঝাঁপ দিয়ে গুরুতর জখম হয় সে। পরবর্তীতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার ভোররাতে গুয়াহাটির নার্সিং কলেজের কাছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে।
চলন্ত গাড়িতে পুলিশের ওপর হামলা পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত আনুমানিক ২টো নাগাদ অভিযুক্ত রামানুজকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে পুলিশের গাড়িটির টায়ার পাংচার হয়ে গেলে সাময়িকভাবে গাড়ি থামিয়ে চাকা বদলানো হয়। চাকা বদলানোর পর গাড়িটি ফের চলতে শুরু করতেই ঘটে বিপত্তি। হাতকড়া পরা অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও রামানুজ আচমকা তাকে পাহারা দেওয়া কনস্টেবলকে সপাটে লাথি মেরে বেসামাল করে দেয়। এরপর দ্রুত গাড়ির পিছনের দরজা খুলে চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় ঝাঁপ দেয় সে। রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরে মারাত্মক আঘাত পায় রামানুজ।
ফ্রিজে স্ত্রীর কাটা মাথা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড গত ৩ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটির হাটিগাঁও এলাকার একটি ফ্ল্যাটে ২৫ বছরের রিয়া তালুকদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। অভিযোগ, রামানুজ তার স্ত্রী রিয়ার দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে এবং মাথা কেটে কালো পলিথিনে মুড়ে ফ্রিজের ভিতর লুকিয়ে রাখে। কয়েকদিন পর ঘর থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরোলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে এবং পরবর্তীতে স্বামী রামানুজকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেরায় পরকীয়ার সন্দেহে মদ্যপ অবস্থায় দাও দিয়ে স্ত্রীকে খুন করার কথা স্বীকার করলেও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা ছিল না। এমনকি জেল থেকে বেরিয়ে স্ত্রীর তথাকথিত প্রেমিককেও খুনের হুমকি দিয়েছিল সে।
পুলিশের ভূমিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন স্ত্রী-খুনের মামলার তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অভিযুক্তের এই রহস্যজনক মৃত্যু একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। হাতকড়া পরা অবস্থায় কীভাবে এক অভিযুক্ত চলন্ত পুলিশের গাড়ির দরজা খুলে লাফ দেওয়ার সুযোগ পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুলিশের নিরাপত্তার কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে।