একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘ইস্তফায় বাধ্য করা হয়েছিল!’ গঙ্গাজলে অফিস ‘শুদ্ধি’র পর বিস্ফোরক সুরেন্দ্রনাথের উপাধ্যক্ষ
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20262:23 pm
কলকাতা সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুমকে ঘিরে বিতর্ক চরম আকার ধারণ করেছে। পদত্যাগপত্র সই করার খবর ছড়িয়ে পড়লেও, তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি পদ ছাড়েননি। তাঁর দাবি, বিক্ষোভের মুখে ফেলে চরম মানসিক চাপে রেখে জোর জবরদস্তি করে তাঁর থেকে ইস্তফাপত্রে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিতর্কের আসল কারণ
সেমিস্টার পরীক্ষায় বসার জন্য শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করে একটি নোটিশ জারি করা হয়। এই নিয়ম প্রত্যাহারের দাবিতে উপাধ্যক্ষকে ঘিরে টানা ঘেরাও ও বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করে পড়ুয়াদের একাংশ।
নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ
আন্দোলনের নামে চরম হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন উচ্চশিক্ষিত উপাধ্যক্ষ ড. তরান্নুম (এলএল.বি, এলএল.এম ও পিএইচ.ডি)। তাঁর দাবি:
- ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাঁকে নিজের ঘরেই আটকে রাখা হয়।
- ঘরের লাইট ও ফ্যান বন্ধ করে তীব্র গরমে কষ্ট দেওয়া হয়।
- এমনকি তাঁকে পানীয় জলটুকুও পান করতে দেওয়া হয়নি।
যদিও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গঙ্গাজলে ‘অফিস শুদ্ধিকরণ’
ইস্তফার খবর সামনে আসতেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-এর সমর্থকরা উপাধ্যক্ষের কার্যালয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ‘অফিস শুদ্ধিকরণ’ করে। তাঁদের দাবি ছিল, গঙ্গাজল ছিটিয়ে বিগত দিনগুলোর প্রভাব ও দুর্নীতি মুছে ফেলা হলো।
শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান অবস্থান
ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুমের কোনো অফিসিয়াল পদত্যাগপত্র শিক্ষা দফতরে পৌঁছায়নি। ফলে তিনি নিজের পদে বহাল রয়েছেন এবং কলেজে তাঁর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে যাবেন।