একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ১৪ না পেরোতেই কী পড়ানো হচ্ছে? কেন্দ্রকে ৪ সপ্তাহের আল্টিমেটাম শীর্ষ আদালতের
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202610:20 am
১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের কী ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে—তা সাধারণ স্কুল হোক কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—তার ওপর কড়া নজরদারি চালাতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব টি.কে. অনিল কুমারকে সরাসরি শোকজ নোটিশ জারি করেছে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর ডিভিশন বেঞ্চ। গৃহীত পদক্ষেপ জানাতে কেন্দ্রকে চার সপ্তাহের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
আদালতের কড়া অবস্থানের মূল কারণ
আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়ের দায়ের করা অবমাননা আবেদনের শুনানিতে এই নির্দেশ আসে। এর আগে গত ১১ মে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, শিশুদের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নজরদারি ও সরকারি নিয়ন্ত্রণের দাবিটি কেন্দ্র যেন বিবেচনা করে। তবে অভিযোগ, আদালতের নির্দেশের পর সরকারের তরফে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
মামলাকারীদের প্রধান দাবিগুলো:
- বাধ্যতামূলক নিবন্ধন: ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের যেকোনো সাধারণ বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি স্বীকৃতি ও রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
- নিয়মিত পরিদর্শন: প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কী পাঠ্যক্রম পড়ানো হচ্ছে, তা পরীক্ষা করতে নিয়মিত সরকারি নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।
- সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা: উপযুক্ত নজরদারির অভাবে শিশুদের শিক্ষার অধিকার ও বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে, যা সংবিধানের ২১ক, ৩৯(চ), ৪৫ এবং ৫১ক(ক) অনুচ্ছেদের চেতনার পরিপন্থী।
জাতীয় নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষার ঝুঁকি
আদালতে পেশ করা নথিতে জানানো হয়েছে, কম বয়সে শিশুরা যেকোনো মতাদর্শ দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হতে পারে, তাই তাদের নিরাপত্তা ও সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব। এর পাশাপাশি জাতীয় সুরক্ষার মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়, উত্তর প্রদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে বিপুল সংখ্যক অনিবন্ধিত ও স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এসব স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকায় নজরদারির অভাব দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।