একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ঋতব্রত শিবিরের ১০ জন বিধায়ককে নোটিস, বিধায়কপদ খারিজ হতে পারে মমতাপন্থীদের নালিশে?
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202611:25 am
কলকাতা: উপনির্বাচনের ঠিক আগে চরম রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। দলীয় নির্দেশ অমান্য ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী ১০ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে শোকজ নোটিস পাঠাল বিধানসভার সচিবালয়। সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় জারি করা এই নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে— কেন তাঁদের বিধায়কপদ খারিজ করা হবে না? আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিদ্রোহী বিধায়কদের এই চিঠির জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ ও শোকজ হওয়াদের তালিকা মমতাপন্থী তৃণমূলের তরফে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগের পাশাপাশি তিনি সুপ্রিম কোর্টেও একটি পিটিশন দায়ের করেছেন। শোকজ হওয়া ১০ বিধায়কের তালিকায় উল্লেখযোগ্য নামগুলি হলো:
- ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
- ফিরহাদ হাকিম
- অরূপ রায়
- আখরুজ্জামান
- সন্দীপন সাহা
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আইনি লড়াই একদিকে নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের টানাপোড়েন চলছে, অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতা ও ঋতব্রত—উভয় শিবিরই পৃথক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর মাঝেই কাশেম সিদ্দিকীর মতো বিধায়ক ঋতব্রত শিবির ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ফিরে এসেছেন।
বিধানসভার সচিবালয়ের দেওয়া ৭ দিনের সময়সীমার মধ্যে বিদ্রোহী বিধায়করা কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তার ওপর নির্ভর করছে তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। স্পিকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর দাঁড়িয়ে রাজ্য রাজনীতি বড়সড় আইনি লড়াইয়ের দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।