একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ৪১৮ কলেজের পরিচালন সমিতিতে বিজেপির দাপট, বিরোধীদের তোপে নতুন নির্দেশিকা
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202611:50 am
রাজ্যের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক রদবদল। সরকার পোষিত ও সাহায্যপ্রাপ্ত প্রায় ৪৫০টি কলেজের মধ্যে ৪১৮টিরই পরিচালন সমিতি বা জেনারেল বডির (GB) সভাপতি পদে বসানো হলো বিজেপি ও আরএসএস ঘনিষ্ঠ হেভিওয়েট নেতাদের। প্রথম দফায় ২৪৭টি কলেজের পর দ্বিতীয় দফায় আরও ১৭১টি কলেজের তালিকা প্রকাশ করেছে উচ্চশিক্ষা দফতর। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক, বিরোধী শিবিরের অভিযোগ—সুপরিকল্পিতভাবে শিক্ষাঙ্গনের ‘গৈরিকীকরণ’ করা হচ্ছে।
পূর্বে তৃণমূল জমানায় অধিকাংশ সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজের জিবি সভাপতি পদে ছিলেন শাসকদলের সাংসদ ও বিধায়কেরা। ক্ষমতা বদলের পর তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়। তবে নতুন তালিকায় রাজনীতির প্রভাব এতটুকু কমেনি, শুধু পতাকার রঙ বদলেছে।
গুরুত্বপূর্ণ কলেজ ও নতুন জিবি সভাপতিদের তালিকা:
- পাটুলি সম্মিলনী মহাবিদ্যালয়: লকেট চট্টোপাধ্যায় (বিজেপি নেত্রী)
- সুরেন্দ্রনাথ কলেজ: তমোঘ্ন ঘোষ (বিজেপি নেতা)
- সুরেন্দ্রনাথ উইমেন্স কলেজ: প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল (বিজেপি নেত্রী)
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজ: শিশির বাজোরিয়া (বিজেপি নেতা)
- সাবিত্রী গার্লস কলেজ: মীনাদেবী পুরোহিত (বিজেপির প্রাক্তন কাউন্সিলর)
- মুরলীধর গার্লস কলেজ: শতরূপা (বিজেপি নেত্রী)
- হেরাম্বচন্দ্র কলেজ: রাজকমল পাঠক (বিজেপি নেতা)
- বাসন্তী দেবী কলেজ: শশী অগ্নিহোত্রী (বিজেপি নেত্রী)
- উমেশচন্দ্র কলেজ: অধ্যাপক পঙ্কজকুমার রায় (বিজেপি ঘনিষ্ঠ)
- চারুচন্দ্র কলেজ: অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ (বিজেপি ঘনিষ্ঠ)
উল্লেখযোগ্যভাবে, বিজেপি বিধায়ক, জেলা সভাপতি ও রাজ্য কমিটির নেতাদের পাশাপাশি এই তালিকায় জঙ্গিপুরের NCPI সাংসদ খলিলুর রহমানের নামও রয়েছে।
উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফ থেকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় বিধায়ক-নেতাদের সরিয়ে শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার দাবি থাকলেও, কার্যত এক রাজনৈতিক শিবিরের বদলে অন্য রাজনৈতিক শিবিরের নিয়ন্ত্রণে চলে গেল রাজ্যের অধিকাংশ কলেজ।