একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘জেতাই শেষ কথা’, কংগ্রেসকে বার্তা দিয়ে আসন দরকষাকষিতে অখিলেশ
September 16, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202612:22 pm
২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগেই বিরোধীদের অন্দরে আসন দখলের দড়িটানাটানি তুঙ্গে। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং কংগ্রেসের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে টানটান দরকষাকষি রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি করেছে নতুন জল্পনা।
আসন ভাগাভাগির সমীকরণ
- এসপির হিসাব: জেলাভিত্তিক জাতিগত সমীকরণ, সাংগঠনিক শক্তি ও জয়ের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে কংগ্রেসকে ৬০-৭০টি আসন ছাড়তে আগ্রহী অখিলেশ যাদব। ভবিষ্যৎ অসন্তোষ এড়াতে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চেয়েছে এসপি।
- কংগ্রেসের দাবি: ২০১৭ সালের জোট ফর্মুলা সামনে রেখে অন্তত ১০৫টি আসনে লড়াইয়ের দাবিতে অনড় রয়েছে কংগ্রেস।
লড়াইয়ের কেন্দ্রে ‘উইন্যাবিলিটি’
সমাজবাদী পার্টির স্পষ্ট বক্তব্য—পুরোনো পরিসংখ্যান বা আসনের সংখ্যা বড় কথা নয়; মূল চাবিকাঠি হলো ‘জয়ের সম্ভাবনা’ (Winnability)। যে আসনে যে দলের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
- গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিতে টানাটানি: লখনউ, গোরখপুর, বারাণসী, কানপুর ও প্রয়াগরাজের মতো হেভিওয়েট আসনগুলি নিয়ে দুই দলের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে।
- আমেঠি-রায়বেরেলি সংকট: কংগ্রেসের ঐতিহ্যবাহী এই ঘাঁটিতে প্রতি জেলায় মাত্র একটি করে আসন ছাড়তে চায় এসপি। তবে কংগ্রেসের দাবি এর থেকে অনেক বেশি।
ভোটের ময়দানে নামার আগেই শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক সমীকরণে শেষ পর্যন্ত দুই দল কীভাবে সমঝোতায় আসে, সেটাই এখন দেখার।