একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় বাংলার ৬ জেলায় সড়ক বিপ্লব, কেন্দ্রের ১০৪২ কোটি টাকার বড় অনুমোদন
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20261:20 pm
রাজ্যের সড়ক পরিকাঠামোর মেকওভারে বড়সড় অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন দিল কেন্দ্র। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ‘সেন্ট্রাল রোড অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড’ (CRIF) প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের ৬টি জেলার সড়ক উন্নয়নে মোট ১০৪২.৬২ কোটি টাকা ছাড়ল কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। মঙ্গলবার এ বিষয়ে রাজ্য পূর্ত দপ্তরকে চূড়ান্ত অনুমোদনের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
প্রথমে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ১১১০.৫৩ কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হলেও, কেন্দ্র তা কিছুটা সংশোধন করে ১০৪২.৬২ কোটি টাকায় সিলমোহর দেয়। এই অর্থ দিয়ে মোট ১৯৪.১০ কিলোমিটার রাস্তা চওড়া করা, সেতু ও কালভার্ট তৈরি, নিকাশিনালা নির্মাণ এবং সড়ক সুরক্ষার কাজ সম্পন্ন করা হবে।
কোন জেলায় কত টাকা বরাদ্দ?
- পুরুলিয়া: সর্বাধিক ২২৬.৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে এই জেলা। রঘুনাথপুর-চান্ডাকিয়ারি সড়কের (SH-8) ২৮.৩০ কিলোমিটার অংশকে ১০ মিটার প্রশস্ত ও দুই লেনের রাস্তায় রূপান্তর করা হবে।
- কোচবিহার: চ্যাংড়াবান্ধা-জামালদহ-মাথাভাঙা এবং মাথাভাঙা-কোচবিহার রুটের ৪১.৩০ কিমি রাস্তা সংস্কারের জন্য বরাদ্দ ১৯০.২৯ কোটি টাকা।
- হুগলি: ৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক পরিকাঠামো পুনর্গঠনে দেওয়া হচ্ছে ১৮১.৮৯ কোটি টাকা।
- উত্তর ২৪ পরগনা: বারাসাত ডিভিশনের অন্তর্ভুক্ত বিষ্ণুপুর-বেলিয়াঘাটা রোডের ১২.৪ কিমি অংশ সংস্কার ও সেতু নির্মানের জন্য বরাদ্দ ১৪৮.০৮ কোটি টাকা।
- পূর্ব বর্ধমান: মন্তেশ্বর-দাঁইহাট রোডের ২৪.১০ কিমির জন্য ১৩৯ কোটি টাকা মঞ্জুর হয়েছে। এ ছাড়া বর্ধমান-কাটোয়া রোডের ৪৬.৬০ কিমি সম্প্রসারণের পাশাপাশি ১০টি কালভার্ট, নিকাশি নালা ও নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হবে।
অনুমোদনপত্রের সাথে কিছু নির্দিষ্ট শর্তও জুড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। জানানো হয়েছে, মঞ্জুর হওয়া বাজেটের বাইরে প্রকল্পের কাজ বাড়ানো যাবে না এবং নির্ধারিত খরচের অতিরিক্ত টাকা পরবর্তীতে দাবি করা যাবে না। পুরো কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকারের ওপরই ছেড়েছে মন্ত্রক।