একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় চিটফান্ড কাণ্ডে ইডির তোলপাড়, কলকাতা ও ইন্দোরের ১৭ জায়গায় একযোগে ম্যারাথন হানা!
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20261:10 pm
রাজ্যে চিটফান্ড মামলার তদন্তে ফের বড়সড় অ্যাকশনে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা এবং মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জুড়ে ‘আমরিত গ্রুপ অফ কো ম্পা নিজ’-এর সঙ্গে যুক্ত মোট ১৭টি ঠিকানায় একযোগে ম্যারাথন তল্লাশি শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।
চড়া সুদের লোভ দেখিয়ে একাধিক আকর্ষণীয় স্কিমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করেছিল আমরিত গ্রুপ। অভিযোগ, মেয়াদ ফুরোনোর পর প্রতিশ্রুত রিটার্ন তো মেলেইনি, উল্টে আমানতকারীদের মূল টাকাও গায়েব করে দেওয়া হয়। এই বিশাল আর্থিক প্রতারণার সূত্র ধরেই সংস্থার শীর্ষকর্তা কে সি দুজারি, কালী কিশোর বাগচী-সহ একাধিক ডিরেক্টর ও প্রোমোটারের বাড়ি ও অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
তদন্তে প্রকাশ, কলকাতার রাজাবাজার, রবীন্দ্র সরোবর ও নেতাজিনগরসহ অন্তত ৬টি স্পর্শকাতর জায়গায় ইডির পৃথক দল অভিযান চালিয়েছে। বিশেষ করে রাজাবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর জব্বরের বাড়িতে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের এই হানা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতানো কোটি কোটি টাকা এই ব্যবসায়ীর হাত ধরেই বিভিন্ন সংস্থায় ঘুরপথে বিনিয়োগ করা হয়েছিল।
বর্তমানে এই বিপুল আর্থিক তছরুপের গতিপথ (মানি ট্রেল) চিহ্নিত করাই ইডির প্রধান লক্ষ্য। প্রতারণার টাকা কোথায় সরানো হয়েছে এবং কারা এই লেনদেনের নেপথ্যে ছিলেন, তা জানতে ব্যাঙ্কিং নথি, সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিল ও ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে ইঙ্গিত, বাজেয়াপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আগামী দিনে এই মামলায় আরও একাধিক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।