একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘প্রতীক মিললে তবেই প্রচার’, উপনির্বাচনের আগে মমতার কড়া বার্তা
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20262:38 pm
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তবে নির্বাচনের মুখে ‘ঘাসফুল’ প্রতীক নিয়ে কালীঘাট ও ঋতব্রত শিবিরের বিরোধ চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। প্রতীক কার দখলে যাবে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঝুলে থাকায় উপনির্বাচনের প্রচারে নামা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় প্রতীক না পেলে তিনি কোনোভাবেই প্রচারে নামবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার কালীঘাটে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরীর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, প্রচারের কৌশল আলোচনার সময় মমতা স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, দলনেত্রীকে ছাড়াই ভোটের প্রস্তুতি জোরকদম চালিয়ে যেতে হবে। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন যদি কালীঘাট শিবিরকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করে, তবেই তিনি প্রচারে অংশ নেবেন।
প্রতীক বিরোধ মেটাতে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দুই শিবিরের সাথে বৈঠক করেছে এবং আরও তথ্য চেয়েছে। তবে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে আসবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
অন্যদিকে, দলীয় প্রতীকের লড়াইয়ের মাঝেই আইনি চাপ বাড়াল কালীঘাট শিবির। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরের ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (SLP) দাখিল করা হয়েছে। সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলবিরোধী কাজের কারণেই শীর্ষ আদালতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া ওই তালিকায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন, জাভেদ খান ও রথীন ঘোষের মতো একাধিক বিদায়ী ও বর্তমান হেভিওয়েট মন্ত্রীর নাম। অবশ্য কৌশলগত কারণে এখনই সব বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে একযোগে না হেঁটে কেবল প্রথম সারির ১০ জন মুখকে নিশানা করেছে মমতাপন্থী শিবির।