একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশের পর অ্যাকশন! বারাসাত থানায় সমন কুণাল ঘোষকে
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20267:55 pm
সমাজমাধ্যমে ক্রমাগত কুরুচিকর আক্রমণ ও হেনস্থার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিল পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত থানায় তলব করা হয়েছে তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। চলতি সপ্তাহেই তাঁকে থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার নেপথ্যে: নালিশ থেকে পুলিশি সমন
- মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে অভিযোগ: কিছু দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে একটি তালিকা জমা দেন কাকলি। তাঁর দাবি ছিল, তৃণমূলের আইটি সেল থেকে তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অসভ্য গালিগালাজ করা হচ্ছে।
- সমাজমাধ্যমে খোঁচা কুণালের: কাকলি প্রকাশ্যে কারও নাম না বললেও, সেদিনই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে কুণাল লেখেন, “আমি প্রচণ্ড ভয়ে কাঁপছি… কেউ কম্বল দেবেন?”
- আইনি পদক্ষেপ: শেষ পর্যন্ত কাকলির অভিযোগের ভিত্তিতেই কুণালকে সমন পাঠায় বারাসাত থানা। কুণাল ঘোষ নিজে সমন পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, তবে বিচারাধীন বিষয় বলে উভয় পক্ষই বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে গেছেন।
রাজনৈতিক পটভূমি
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর দল ছেড়ে এনডিএ শরিক এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেন কাকলি-সহ বেশ কয়েকজন সাংসদ। দলবদলের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে তাঁদের উদ্দেশ্য করে কটু মন্তব্য ও কটাক্ষ ধেয়ে আসতে থাকে। শাসকদলের পরিকল্পিত এই ট্রোলিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতেই মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংসদ, যার জল গড়ালো পুলিশ থানা পর্যন্ত।