একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ফেলনা নয় আর কিছুই, গান্ধীনগরের বিশ্বমঞ্চে বর্জ্য সামলাতে ভারতের বড় পদক্ষেপ
বার্তা ডেস্কঃ
September 17, 20268:22 am
আধুনিক জীবনযাত্রায় সামান্য পুরোনো বা নষ্ট হলেই পণ্য ফেলে দিয়ে নতুন কেনা যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসই ভবিষ্যতের স্বার্থে এই ‘উৎপাদন করো, ব্যবহার করো এবং ফেলে দাও’ সংস্কৃতি বদলে ফেলার সময় এসেছে। ফেলনা জিনিস ফেলে না দিয়ে তা মেরামত ও পুনঃব্যবহারের মাধ্যমে ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা চক্রাকার অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন মাইলফলক ১৫ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর গুজরাটের গান্ধীনগরে আয়োজিত হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড সার্কুলার ইকোনমি ফোরাম ২০২৬’। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনে ৬২টি দেশের ৩,৬০০-র বেশি প্রতিনিধি ও ১৩৫ জন প্রদর্শক অংশ নিয়েছেন। শিল্পবর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ, জলের পুনঃব্যবহার এবং টেকসই অর্থায়নের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখানে আলোকপাত করা হচ্ছে।
উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ই-বর্জ্যের পাহাড় কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে ভারতে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ১.২৫৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন, যা ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৩৯৮ মিলিয়ন মেট্রিক টনে। যদিও এর ৭০ শতাংশের বেশি অংশ প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে, তবুও দ্রুত গতিতে প্রযুক্তি বর্জ্য বেড়ে চলা পরিবেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
সহজ হচ্ছে মেরামতের পথ যন্ত্রাংশ না পাওয়া কিংবা অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক সময় ক্রেতারা পুরোনো জিনিস মেরামতের চেয়ে নতুন কেনাকেই সুবিধাজনক মনে করেন। এই সমস্যা মেটাতে কেন্দ্র বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে:
- পণ্যের আয়ুষ্কাল নির্ধারণ: খাবারের মেয়াদের মতোই এবার ইলেকট্রনিক পণ্যের স্থায়ীত্ব বা সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল উল্লেখ করার চিন্তাভাবনা চলছে।
- রাইট টু রিপেয়ার ও ইনডেক্স: সাধারণ মানুষের জন্য মেরামত ব্যবস্থা সহজ করতে ‘রাইট টু রিপেয়ার পোর্টাল’ এবং ‘রিপেয়ারেবিলিটি ইনডেক্স’-এর ওপর কাজ চলছে।
কোনো জিনিস আবর্জনার স্তূপে ফেলার আগে সেটির শেষ সীমা পর্যন্ত ব্যবহার নিশ্চিত করাই চক্রাকার অর্থনীতির আসল উদ্দেশ্য। সামান্য খরচে পুরোনো জিনিস সারিয়ে ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলেই ই-বর্জ্যের লাগাম টানা সম্ভব হবে।