সেক্স টয় আমদানিতে বাধা কেন, কাস্টমসকে কড়া প্রশ্ন হাই কোর্টের!
September 18, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 18, 20268:25 am
‘সেক্স টয়’ বা বডি ম্যাসাজার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষেত্রে শুল্ক দফতরের (কাস্টমস) এক্তিয়ার কতটা, তা নিয়ে কড়া প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। ১৯৬২ সালের শুল্ক আইনে এই ধরনের সামগ্রী সরাসরি আটকানোর স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চায় আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি স্মিতা দাস দে।
মামলার মূল বিষয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ব্যবসায়ীদের যুক্তি: একটি বাণিজ্যিক সংস্থার তরফে এই নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়। তাদের দাবি, ১৯৬৪ সালের পুরনো এক শুল্ক বিজ্ঞপ্তির দোহাই দিয়ে সেক্স টয়কে ‘অশ্লীল’ তকমা দেওয়া হচ্ছে। অথচ বর্তমানে দেশের খোলা বাজারে ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে এসব সামগ্রী অনায়াসে বিকোচ্ছে। ফলে আমদানিতে বাধা দিলে ব্যবসায়ীদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার ওপর আঘাত আসে।
- কাস্টমসের আপত্তি খারিজ: কাস্টমসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, সরাসরি হাই কোর্টে না এসে শুল্ক আইনের ১২৮ নম্বর ধারা মেনে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা উচিত ছিল। আদালত এই প্রাথমিক আপত্তি মেনে নেয়নি।
- আদালতের পর্যবেক্ষণ: হাই কোর্ট স্পষ্ট জানায়, সুনির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি ছাড়া স্রেফ ব্যক্তিনির্ভর নৈতিকতার ধারণা থেকে কোনও সামগ্রী নিষিদ্ধ করা যায় না। এতে নাগরিকের বৈধ ব্যবসায়িক অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে আদালত অবশ্যই হস্তক্ষেপ করতে পারে।
কোন আইন ও যুক্তিতে কাস্টমস এই পণ্য আটকে রাখছে, তা পূর্ণাঙ্গভাবে খতিয়ে দেখা হবে। আগামী ৯ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।