ভোটের পর দলও চুরি! মমতার পাশে দাঁড়িয়ে মোদী সরকারকে তুলোধোনা রাহুলের
বার্তা ডেস্কঃ
September 18, 202611:28 am
নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক স্থগিত হতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়াল দেশের বিরোধী জোট। কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে ‘দলচুরি’ বলে তোপ দেগেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল গান্ধী মহারাষ্ট্রের শিবসেনা ও এনসিপি-র ভাঙনের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে একের পর এক বিরোধী দলকে ভেঙে টুকরো করছে এবং তাদের প্রতীক কেড়ে নিচ্ছে। রাহুলের ভাষায়, “ভোটচুরি ও সরকারচুরির পর এখন শুরু হয়েছে দলচুরি। এটি আমাদের গণতন্ত্রের অধোগতির স্পষ্ট প্রতীক।” তিনি আরও যোগ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার এই লড়াই কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একার নয়, বরং দেশের প্রতিটি ভোটারের।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত কালীঘাট ও ঋতব্রত— কোনো শিবিরই ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম বা ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। সামনেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচন, যেখানে দুই পক্ষকেই নতুন নাম ও কমিশনের তালিকা থেকে আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলের ২৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার জোড়াফুল প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে লড়তে হচ্ছে।
রাহুলের পাশাপাশি কড়া বার্তা দিয়েছেন অন্যান্য বিরোধী নেতারাও। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কটাক্ষ করে বলেন, প্রতীক ফ্রিজ করা আসলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেওয়া ‘জন্মদিনের উপহার’। একই সুর চড়িয়ে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরীবালও বিজেপির গণতান্ত্রিক আচরণ নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন।