আর কত প্রাণ গেলে সচেতন হব আমরা?
বার্তা ডেস্কঃ
September 19, 20261:42 pm
আইআইটি বম্বের পাওয়াই ক্যাম্পাসে এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক বি.টেক পড়ুয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনার নেপথ্যে কী ঘটেছে? প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সেমেস্টার চলাকালীন পরীক্ষা হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-তে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আপলোড করে উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ধরা পড়ার পর বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকরা তাঁকে বোঝান এবং আশ্বস্ত করেন যে এই ঘটনার জন্য তাঁর শিক্ষাজীবনে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। এরপর তিনি হস্টেলের ঘরে ফিরে যান। পরবর্তীতে সেখান থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।
উত্তাল ক্যাম্পাস, স্থগিত পরীক্ষা: ঘটনার জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রায় ৪০০-রও বেশি পড়ুয়া ক্যাম্পাসে প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য উন্নত ব্যবস্থার দাবিতে বিক্ষোভে নামেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষ চলতি মিড-সেমেস্টার পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সুর চড়ালেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা: এই মর্মান্তিক পরিণতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন সিজেপি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লেখেন— গ্রাম বা আদিবাসী এলাকা থেকে শুরু করে মুম্বইয়ের মতো মেগাসিটি, সর্বত্রই একের পর এক ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে আর কতজনকে প্রাণ দিতে হবে, সেই বিষয়ে প্রশাসন ও সমাজকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবার সময় এসেছে।