১৫ দিন অনুপস্থিত থাকলেই পঞ্চায়েতে বসবে প্রশাসক, কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর!
বার্তা ডেস্কঃ
September 20, 20266:28 pm
উত্তরবঙ্গ: রাজ্যের গ্রামীণ স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি ফেরাতে এবং পঞ্চায়েতগুলির অচলাবস্থা কাটাতে নজিরবিহীন কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। রবিবার কোচবিহারে একটি হাই-লেভেল রিভিউ বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন—পরপর ১৫ দিন পঞ্চায়েত প্রধান অফিসে না এলে সেখানে অবিলম্বে প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হবে।
অচলাবস্থা দূর করাই প্রাথমিক লক্ষ্য সম্প্রতি রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বহু গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানদের অনুপস্থিতি চোখে পড়ছে। কোথাও অনাস্থা প্রস্তাব এসেছে, আবার কোথাও প্রধান নিজেই পদত্যাগ করেছেন। ফলে বহু জায়গায় প্রশাসনিক কাজ কার্যত স্তব্ধ হয়ে রয়েছে। প্রধানের দেখা না মেলায় একদিকে যেমন সরকারি প্রকল্পের টাকা আটকে পড়েছে, তেমনই মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতি বরদাস্ত করা হবে না বলেই হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর।
প্রশাসনিক প্রশাসনিক পর্যালোচনা ও কড়া নজরদারি আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার—দুই জেলার জেলাশাসক (DM), পঞ্চায়েত সচিব এবং শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে গ্রামীণ বিকাশের কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দিলীপ ঘোষ জানান, অনাস্থা বা রাজনৈতিক বিবাদের কারণে যেন সাধারণ মানুষের পরিষেবা ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিধায়কদেরও নজর রাখতে বলা হয়েছে।
উন্নয়নের গতিতে দেওয়া হবে জোর রাজ্য সরকার এ বার গ্রামীণ পরিকাঠামো গঠনে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে। বর্ষার কারণে কিছুটা বাধা এলেও উন্নয়নমূলক পারফরম্যান্সে কোনো ঘাটতি মানা হবে না।
সংক্ষেপে মূল বিষয়:
- পঞ্চায়েত প্রধান ১৫ দিন অনুপস্থিত থাকলে পঞ্চায়েতে বসবে প্রশাসক।
- কোচবিহারে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের জেলাশাসক ও আধিকারিকদের নিয়ে মন্ত্রীর হাই-লেভেল বৈঠক।
- অনাস্থা, পদত্যাগ ও প্রধানদের অনুপস্থিতিতে স্থবির পঞ্চায়েতের কাজের গতি ফেরানোই মূল উদ্দেশ্য।
- গ্রামীণ উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি, সরকারি প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ।