যাদবপুরের পুজো অনুদান নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ!
বার্তা ডেস্কঃ
September 23, 20262:02 pm
কলকাতা: রাজ্য রাজনীতির একাধিক সাম্প্রতিক বিতর্ক ও উত্তপ্ত ঘটনা নিয়ে ফের স্বমহিমায় সোচ্চার হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অশান্তি, বারুইপুর আদালতে ডিম নিক্ষেপ, পুজো অনুদানে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি বিতর্ক থেকে শুরু করে দলীয় কোন্দল— একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের একযোগে তোপ দাগলেন তিনি।
১. ‘খবরের শিরোনামে আসতেই ড্রামা’:
যাদবপুরের ঘটনায় প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের ওপর আক্রমণের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “হুমায়ুন কবীর তো তৃণমূল বা বিজেপি কোনো পক্ষেই নন। অস্তিত্ব সঙ্কটে ভোগা বিরোধীরা এখন খবরের শিরোনামে আসার জন্য নিজেদের মধ্যে মারামারি আর ড্রামা করছে। বিজেপির নাম জড়ালে মিডিয়ার কভারেজ পাওয়া যায় বলেই এসব করা হচ্ছে।”
২. আদালত চত্বরে বিক্ষোভ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ:
বারুইপুর আদালতে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জিকে ডিম ছোঁড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপবাবুর কড়া সাফ বার্তা— “বিক্ষোভ প্রদর্শনের একটা নির্দিষ্ট সীমা থাকা উচিত। সিপিএম আর তৃণমূলই এই অপসংস্কৃতি শুরু করেছিল, এখন সবাই সেটাই অনুসরণ করছে। আদালতের ভেতরে এসব বিশৃঙ্খলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।”
৩. পুজো অনুদান ও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি বিতর্ক:
মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, “সরকার থেকে কি এমন কোনো নির্দেশিকা জারি হয়েছে যে মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগাতেই হবে? আমাদের সরকারের এমন নির্দেশ দেওয়ার কথা নয়। আগে তৃণমূল জমানায় হয়তো মমতা ব্যানার্জির ছবি না লাগালে টাকা মিলত না, বা কাটমানি খাওয়া হতো। কিন্তু আমাদের বার্তা স্পষ্ট— এটা মা দুর্গার পুজো, সবাই আনন্দ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করুন।”
৪. ভোটের হিংসা ও দলীয় কোন্দল বন্ধের বার্তা:
সল্টলেকের রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন মানেই দুষ্কৃতীদের দাপাদাপি বন্ধ হওয়া জরুরি। গণতান্ত্রিক দেশে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়া উচিত।” পাশাপাশি, দমদম ও সুদীপ ব্যানার্জির ঘটনা প্রসঙ্গে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য— প্রকাশ্যে নেতাদের মতবিরোধ শোভা পায় না, আর বেআইনি দখলের ঘটনা ঘটলে রাজনৈতিক নাটকের বদলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।