ডিএ এবং বকেয়া মেটানো নিয়ে বড় নির্দেশ বিচারপতি সিনহার!
বার্তা ডেস্কঃ
September 28, 20265:40 pm
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মিটিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি কর্মরত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া পঞ্চম পে-কমিশনের ডিএ এক কিস্তিতে মেটানোর বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। তবে সেই তালিকায় সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী (গ্রান্ট-ইন-এড)-দের নাম না থাকায় তৈরি হয়েছে ক্ষোভ।
কেন বকেয়া পেতে দেরি গ্রান্ট-ইন-এডদের?
কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও বকেয়া ডিএ পাবেন। কিন্তু বর্তমানে রাজ্য কোষাগারে পর্যাপ্ত রাজস্ব না থাকায় এই টাকা মেটাতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগবে।
পুজোর আগেই কিস্তির দাবি ও বিটিইএ-র চিঠি
অন্যদিকে, উৎসবের মরসুমের আগেই অন্তত একটি কিস্তির টাকা মেটানোর দাবি তুলেছেন সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। ডিএ বকেয়াদের তালিকা থেকে কেন তাঁদের বাদ রাখা হলো— এই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পান্ডের কাছে ইতিমধ্যেই স্মারকলিপি জমা দিয়েছে ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’ (BTEA)।
হাইকোর্টের কড়া পদক্ষেপ
রাজ্যের এই অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যকে স্পষ্ট রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ ভাগ্য এখন হাইকোর্টে রাজ্যের জমা দেওয়া রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করছে।