চিনির দাম কি কমবে? ইথানল উৎপাদনে বড় কড়াকড়ি আনছে কেন্দ্র!
বার্তা ডেস্কঃ
দেশের বাজারে চিনির ক্রমবর্ধমান দাম এবং সীমিত মজুত সামাল দিতে ইথানল উৎপাদনে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় সরকার। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির সাম্প্রতিক দরপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ইথানল তৈরির জন্য চিনির ব্যবহার সম্পূর্ণ শূন্য রাখা হবে। মূলত আখের রস বা চিনির পরিবর্তে এবার ভুট্টা, ভাঙা চাল এবং সরকারি গুদামের উদ্বৃত্ত চাল থেকেই ইথানল উৎপাদন করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক দিকে পেট্রোলে ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখা এবং অন্য দিকে বাজারে চিনির জোগান স্বাভাবিক রেখে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখাই সরকারের এই কঠোর সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।
উৎসবের মরসুমে চিনির লাগামছাড়া দাম এবং উৎপাদন হ্রাসের আশঙ্কার মাঝেই এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। গত কয়েক মাসে চিনির খুচরা দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং आगामी মরসুমে উৎপাদন আরও কমার পূর্বাভাস থাকায় সরকার এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে চিনিকলগুলি আখ থেকে চিনি উৎপাদনে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে, যা অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। তবে একই সঙ্গে খাদ্য বনাম জ্বালানি বিতর্ক আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, কারণ নীতি নির্ধারকদের সামনে এখন জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি খাদ্যশস্যের সুষম বণ্টনের বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে।