ভোটের ফলের পর মমতা যাবেন দিঘায় আর অভিষেক দুবাই! বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/05/humayun-kabir-2025-12-05-14-05-51.jpg)
রাজ্যের ২৯৩টি আসনের হাইভোল্টেজ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেন ভরতপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রধান হুমায়ুন কবীর। শনিবার বহরমপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, ৪ মে ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে সরকার গড়তে হলে তাঁর দলেরই সমর্থন নিতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।
তৃণমূলকে সমর্থনের শর্ত ও বিস্ফোরক মন্তব্য
হুমায়ুন কবীরের দাবি, এবারের নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে সরকার গঠনে তাঁর দলের ভূমিকা নির্ণায়ক হবে। তবে তৃণমূলকে সমর্থনের ক্ষেত্রে তিনি একগুচ্ছ কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, তৃণমূল নেতৃত্বকে ‘হাঁটু গেড়ে’ ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে দুর্নীতি না করার অঙ্গীকার করতে হবে। প্রাক্তন দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “চৌঠা মে-র পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুবাই চলে যাবেন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে সংকীর্তন করবেন।”
রাজনৈতিক প্রভাব ও সম্ভাব্য সমীকরণ
তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে নতুন দল গঠন করা এই নেতার এমন মন্তব্য ভোটের আগের দিন উত্তাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিজের জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন কবীর ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ফল ত্রিশঙ্কু হলে তিনি ‘কিং মেকার’ হতে পারেন। তবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। এখন সোমবারের ফলাফলই বলে দেবে হুমায়ুন কবীরের এই দাবি কতটা বাস্তবোচিত।