৫০ বছর পর কি সত্যিই শেষ কংগ্রেস, দেশজুড়ে কি একই দশা হতে চলেছে?
বার্তা ডেস্কঃ
বিরোধীদের ‘টুলকিট’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কড়া বার্তা
কলকাতা: বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতা দখলের পর জাতীয় ইস্যুতে প্রতীকী প্রতিবাদে রাজপথে নামল বিজেপি। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হওয়া মিছিল ধর্মতলার ময়দানে শেষ হয়। সেখানে জনতাকে উদ্দেশ্য করে ভাষণ দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর ভাষণে সরাসরি কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করা হয়।
বিজেপি সভাপতির অভিযোগ, কংগ্রেস দেশজুড়ে অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে এবং দেশের সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে আঘাত করছে। তিনি বলেন, “জনতা ওদের (কংগ্রেসকে) প্রত্যাখ্যান করেছে। জনতা ওদের বিষয় নিয়ে লড়লে, প্রত্যাখ্যাত হত না। গত পঞ্চাশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের জনতা ওদের নাম নিচ্ছে না। এই অবস্থা চললে, গোটা দেশেও ওদের একই হাল হবে।”
বিরোধী দলনেতার উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার বদলে বিদেশি শক্তির ‘টুলকিট’ হয়ে রাহুল গান্ধী কাজ করছেন।” তাঁর ব্যাখ্যায়, যারা বাংলাদেশকে অস্থির করেছিল, নেপালকে অস্থির করেছিল, তাদের প্রতি রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের সহানুভূতি রয়েছে। তিনি এই ধরণের অসামাজিক তত্ত্ব ও নেতিবাচক কাজের সঙ্গে যুক্ত শক্তিগুলির প্রতি কংগ্রেসের পক্ষপাতের অভিযোগ আনেন।
বিজেপি সভাপতি বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আপনারা যদি ভাবেন, ভারতকে অস্থির করবেন, যদি ভাবেন ইউরোপকে যারা অস্থির করছে, বাংলাদেশকে বা নেপালকে যারা অস্থির করছে, তাদের টুলকিট হয়ে আপনারা কাজ করবেন, তা হলে জেনে নিন, ভারতের গণতন্ত্র অনেক শক্তিশালী। একে ধাক্কা দেওয়ার শক্তি আপনাদের নেই।”
রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আপনার না দূরদৃষ্টি রয়েছে, না উন্নয়নের ভাবনা রয়েছে। রাজনীতিতে যে বিবেক, যে শুচিতা থাকা জরুরি, আপনার কথায় তা-ও দেখা যায় না।”
এদিন বিহারে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি সেরে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২ ঘণ্টা পরে নীতিন নবীন কলকাতায় পৌঁছন। তাঁর সভা উপলক্ষে দুপুর থেকেই মধ্য কলকাতায় বিজেপি কর্মীদের ভিড় জমতে দেখা যায়। এছাড়াও, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভায় উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে তিনি “আরশোলা-ছাড়পোকা-দিমাগি নকশাল দেখলেই ঝাঁটা পেটা করুন” বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।