ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র প্রভাব, বুধবার থেকেই কি তবে তীব্র শীতের আমেজ?

বার্তা ডেস্কঃ

অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোল উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আছড়ে পড়তেই অতিভারী বৃষ্টিতে তছনছ দক্ষিণের একাধিক এলাকা। তবে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সরাসরি কোনো বড় বিপদের সতর্কতা জারি করেনি আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বাংলায় ঝড়ের সরাসরি প্রভাব না থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চল ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশের পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকা দার্জিলিং ও কালিম্পঙেও দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার থেকে রাজ্যজুড়ে আবহাওয়া পুরোপুরি শুষ্ক হতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টির পাট চুকতেই এ রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে, যার ফলে রাজ্যজুড়ে একটি হালকা ঠান্ডা ভাব অনুভূত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে মৎস্যজীবীদের জন্য সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, ৪ নভেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উত্তাল সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতি আপাতত বিপজ্জনক থাকবে। মেঘলা আকাশের পর্ব কাটিয়ে চলতি সপ্তাহেই বঙ্গে শীতের আমেজ জোরালো হতে চলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *