কোহলি ঝড়ে কুপোকাত কেকেআর, নাইটদের প্লে অফের অংক আরও কঠিন
আইপিএলের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিরাট কোহলির অতিমানবিক ব্যাটিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বুধবার রায়পুরে গতবারের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে ৬ উইকেটে হেরে লিগ টেবিলের লড়াইয়ে বেশ চাপে পড়ে গেলেন অজিঙ্ক রাহানারা। টানা চার ম্যাচ জেতার পর ছন্দপতন ঘটল নাইটদের। এদিন বিরাটের নবম আইপিএল সেঞ্চুরি আরসিবির প্লে অফ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কেকেআরের নক-আউটে যাওয়ার রাস্তা কন্টকাকীর্ণ করে দিল।
মন্থর ব্যাটিংয়েই ডুবল নাইট তরী
টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে কেকেআর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯২ রান সংগ্রহ করে। তবে এই স্কোরকে আধুনিক টি-টোয়েন্টির বিচারে যথেষ্ট নিরাপদ মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ইনিংসের মাঝপথে অধিনায়ক রাহানে ও ক্যামেরন গ্রিনের ধীরগতির ব্যাটিং কেকেআরকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। শেষ পাঁচ ওভারে হাতে উইকেট থাকা সত্ত্বেও মাত্র ৫১ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। তরুণ তুর্কি অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর লড়াকু ৭১ রান এবং রিঙ্কু সিংয়ের অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস সত্ত্বেও স্কোরবোর্ড দুশো পেরোয়নি, যা শেষ পর্যন্ত হারের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিরাটের রেকর্ড সেঞ্চুরি ও নাইটদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দাপট দেখান বিরাট কোহলি। আইপিএল ইতিহাসের নবম শতরান পূর্ণ করে তিনি এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেলেন। দেবদত্ত পাড়িক্কলকে সাথে নিয়ে ৯২ রানের ম্যাচ জেতানো পার্টনারশিপ গড়ে তিনি আরসিবিকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। ১৭৫ স্ট্রাইক রেটে ১০৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন কিং কোহলি। অন্যদিকে, বোলিং বিভাগে বরুণ চক্রবর্তী কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বিরাটের আক্রমণাত্মক মেজাজের সামনে সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এই হারের ফলে কেকেআরকে এখন বাকি ম্যাচগুলোতে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি অন্যান্য দলগুলোর পয়েন্টের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।