ক্ষমতা হারাতেই বিদ্রোহের ঝড়, দলত্যাগীদের কড়া বার্তা কল্যাণের!

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে দানা বাঁধা বিদ্রোহ ও সুবিধাবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নীতি ও আদর্শ বিসর্জন দিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে গোপন আঁতাত গড়া এবং দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ নেতাদের নৈতিকতা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

বিক্ষুব্ধ এসব নেতাদের মুখোশ খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাহস থাকলে তাঁরা যেন নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে বুথ স্তরের কর্মীদের মুখোমুখি দাঁড়ান। দলের অন্দরে বিভেদ সৃষ্টি না করে তাঁদের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। এ সময় তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দল ত্যাগের পর যেন কেউ নামের পাশে তৃণমূল নেতা বা সাংসদের পরিচয় ব্যবহার না করেন।

ভোট-পরবর্তী অস্থিরতার সময়ে কর্মীদের পাশে না দাঁড়ানোর অভিযোগ তুলে শমীলা সরকার ও কাকলি ঘোষের মতো নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কল্যাণ। বিশেষ করে কাকলি ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে মারাত্মক আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, ভোট মিটতেই নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তিনি এখন বিজেপির মদতে তৃণমূল কর্মীদের নিশানা করছেন। সব্যসাচী দত্তের গ্রেফতারিকে কাকলি ঘোষের প্রতিহিংসার ফল হিসেবে দাবি করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, টাকার দাপট বা এজেন্সির ভয় দেখিয়ে রাজনীতি করা গেলেও তৃণমূলের সঙ্গে আমজনতার সমর্থন রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *