বন্ধ ঘরে তরুণী চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যু, নেপথ্যে কি পরকীয়া ও আর্থিক জালিয়াতি?
পাঞ্জাবের জলন্ধরে ড. মীনাক্ষী নামে এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার পুলিশ তাঁর বাড়ি থেকে দেহটি উদ্ধার করে। বাড়ির দরজা-জানলা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় পুলিশকে কাচের জানলা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আত্মহত্যা না খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পেছনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও বড় ধরনের আর্থিক প্রতারণা রয়েছে।
তদন্ত সূত্র ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জলন্ধরের ন্যাশানাল আই হসপিটালের কর্ণধার ড. পীযূষের সঙ্গে মীনাক্ষীর বিয়ে হয়। পীযূশের সঙ্গে হাসপাতালের এক নার্সের অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দম্পতির মধ্যে অশান্তি চলছিল। সেই সম্পর্কের সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়ার পর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠায় গত জুলাই মাস থেকে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন এবং মীনাক্ষী আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন।
এরই মধ্যে মীনাক্ষী নতুন বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করলে জানতে পারেন, তাঁর অজান্তে ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁর নামে আড়াই কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছে, যা পীযূষের হাসপাতালের কাজে ব্যয় করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, এই রহস্যমৃত্যুটি আসলে পরিকল্পিত খুন হতে পারে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।