প্রতিবাদের নামে রেল অবরোধ কেন? জীবনের সুরক্ষাই তো সবার আগে!

রেললাইনে বিক্ষোভ বা অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি ও জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পূর্ব রেল। সম্প্রতি শ্যামনগরের লীনা দাস নামের এক চাকরিপ্রার্থীর ইন্টারভিউ হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকস্মিক অবরোধের জেরে বহু মানুষের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবার মতো জরুরি কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক অর্থবর্ষে পূর্ব রেলের বিভিন্ন ডিভিশনে ২৯টি রেললাইন অবরোধ ও ২০টি সাধারণ ধর্মঘটের ঘটনা ঘটেছে। চলতি আর্থিক বছরের প্রথম দুই মাসেও ইতিমধ্যে দুটি অবরোধের ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে।

রেল প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, প্রতিবাদ জানানোর গণতান্ত্রিক অধিকার থাকলেও ট্রেন আটকে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইন্ডিয়ান রেলওয়ে অ্যাক্ট ১৯৮৯-এর ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, রেল পরিষেবা ব্যাহত করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ, যার জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে। সাধারণ যাত্রীদের কথা ভেবে আইন অমান্য না করে শান্তিপূর্ণ ও বৈধ উপায়ে দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে যেকোনো সমস্যা সমাধানে রেল প্রশাসন সর্বদা আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলেও জানানো হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *