মহুয়ার নিশানায় ইসকন, মিড-ডে মিল নিয়ে তোলপাড় রাজনীতি!
কলকাতা পুরসভা এলাকার কিছু বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিলের মেনু থেকে ডিম বাদ দিয়ে রাজমা ও সয়াবিন চালু করার সরকারি সিদ্ধান্তে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইসকনের মাধ্যমে এই নিরামিষ খাবার সরবরাহের ঘোষণাকে বাংলার খাদ্যসংস্কৃতির ওপর হস্তক্ষেপ বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তার মতে, বাংলার শিশুদের খাদ্যতালিকায় রাজমার মতো খাদ্যের চল নেই এবং এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, সরকার চাইলে বিধানসভার বিধায়ক ক্যান্টিনের দায়িত্বও ইসকনকে দিতে পারে।
রাজ্যের ঘোষিত এই নতুন খাদ্যতালিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের একটি বড় অংশের আশঙ্কা, মেনু থেকে ডিম বাদ পড়ায় স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতির হার কমে যেতে পারে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লক্ষ্য কেবল উন্নত ও পরিচ্ছন্ন পুষ্টি নিশ্চিত করা। ইসকন কলকাতার সহ-সভাপতি রাধারমণ দাসের দাবি, ডাল ও সয়াবিন থেকেও প্রয়োজনীয় প্রোটিন পাওয়া সম্ভব এবং নিরামিষ খাবার বাংলার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্কৃতির বিরোধী নয়।