সাসপেন্ড কল্যাণ ও শমীকের গোপন ফোনালাপ, তুঙ্গে তুুমুল রাজনৈতিক জল্পনা!
মহিলা সাংসদদের সঙ্গে অভব্য আচরণ ও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিশানা করার অভিযোগে সংসদের চলতি বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের চার সাংসদ—কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, মালা রায় ও মিতালি বাগের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্পিকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সাসপেনশনের প্রতিক্রিয়ায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি দলেই থাকছেন এবং বেইমানদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন। দল ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
এদিকে, এই সাসপেনশনের পর সংসদ চত্বরে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কল্যাণের দীর্ঘ একান্ত বৈঠক এবং পরবর্তীতে সেখানে মহুয়া মৈত্রীর উপস্থিতি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। শমীক ভট্টাচার্য বিষয়টিকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক আলাপচারিতা হিসেবে অভিহিত করলেও তৃণমূলের অন্দরে ও বিরোধী শিবিরে এর প্রভাব নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে মমতাপন্থী শিবিরের পক্ষ থেকে সাংসদ সৌগত রায় স্পিকারের কাছে কল্যাণের সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।