বিদেশি বন্ধুকে পান্তা ভাতের পরিচয় দেবেন কীভাবে?
বার্তা ডেস্কঃ
আধুনিক ফাস্টফুডের যুগেও বাঙালির ভোজনরসিক হৃদয়ে পান্তা ভাতের অবস্থান চিরস্থায়ী। গরমের দিনে পোড়া লঙ্কা ও কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে এক থালা পান্তা ভাত বাঙালির কাছে পরম আরাধ্য। কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে কোনো বিদেশি অতিথি বা বন্ধুকে যদি বাঙালির এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের পরিচয় দিতে হয়, তবে কী বলবেন? ভাষাবিদ ও খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পান্তা ভাতের সর্বজনগ্রাহ্য এবং সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো ‘ফারমেন্টেড রাইস’ বা ‘ফারমেন্টেড রাইস স্যুপ’। রান্নার পর ভাত সারা রাত জলে ভিজিয়ে গাজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয় বলেই এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। পরিবেশন ভেদে একে ‘সোকড রাইস’ বা ‘ওয়াটার-সোকড রাইস’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
অতীতে পান্তা ভাতকে বাসি বা সাধারণ খাবার ভাবা হলেও আধুনিক বিজ্ঞান এর ভূয়সী প্রশংসা করেছে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখার ফলে ভাতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী প্রোবায়োটিক উপাদানে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। তাই এখন থেকে কোনো বিদেশি বন্ধুকে পান্তা ভাতের পুষ্টিগুণ বা পরিচয় বোঝাতে আর দ্বিধা করার কোনো অবকাশ নেই।