এক পলকে সব শেষ! নেপালে হড়পা বানে মুছে গেল আস্ত গ্রাম
বার্তা ডেস্কঃ
বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বরফ, পাথর ও জলের বিধ্বংসী স্রোত নেমে এসে নিমেষে মুছে দিয়েছে একাধিক গ্রাম, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও সেতু। প্রাকৃতিক এই ভয়াবহ তাণ্ডবে অন্তত কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন শত শত মানুষ। পরিবেশবিদ ও বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই ভয়াবহ প্রলয়ের নেপথ্যে রয়েছে হিমালয় অঞ্চলের অন্যতম আতঙ্ক ‘জিএলওএফ’ বা হিমবাহ হ্রদ বিস্ফোরণ। হিমবাহের শেষ প্রান্তে প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে কয়েক মিনিটের মধ্যে পুরো হ্রদের জল উপচে নীচে নেমে আসার এই ঘটনা পাহাড়ি জনপদের নিরাপত্তাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
দ্রুত বরফ গলার কারণে হিমালয় অঞ্চলে বিপজ্জনক হ্রদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। পাহাড়ের সরু নদী উপত্যকায় অপরিকল্পিত পরিকাঠামো নির্মাণ ও জনবসতি গড়ে ওঠাই এই বড় বিপর্যয়ের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। দুর্গম স্থানে অবস্থিত এই হ্রদগুলির জল নিষ্কাশন বা বাঁধ শক্ত করা অত্যন্ত জটিল হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা বা আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম চালুর ওপর জোর দিচ্ছেন।危险 চিহ্নিত হ্রদগুলিতে সেন্সর বসিয়ে জলস্তর পর্যবেক্ষণ এবং নদী উপত্যকার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী নির্মাণ নিষিদ্ধ করাই সুরক্ষার একমাত্র পথ বলে মনে করা হচ্ছে।