নিউ মার্কেটের অভিশপ্ত হোটেলে ৪০টি ব্যবসার আড়ালে কি বড় কোনো দুর্নীতি?
বার্তা ডেস্কঃ
নিউ মার্কেটের মির্জা গালিফ স্ট্রিটের পুড়ে যাওয়া সেই অভিশপ্ত হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, যে ভবনটিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই একই বিল্ডিংয়ে মোট ৪০টি ট্রেড লাইসেন্সের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পুরসভার অভ্যন্তরীণ তথ্য বলছে, তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের আমলেই এই লাইসেন্সগুলির বেশিরভাগ ইস্যু করা হয়। একটিমাত্র ভবনে এতগুলি ব্যবসা চালানোর মতো উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপণ বা পরিকাঠামো আদৌ ছিল কি না, তা সরেজমিনে যাচাই না করেই লাইসেন্সগুলি দিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
তৃণমূল জমানায় পুরসভার লাইসেন্স প্রদান নীতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুরসভা সূত্রে জানা যায়, অতীতে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়ার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের পরিদর্শকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির অভিযোগ এড়ানোর অজুহাতে অনলাইনে স্ব-ঘোষণা বা সেলফ-ডিক্লারেশন পদ্ধতি চালু করা হয়, যেখানে সরেজমিন তদন্ত ছাড়াই লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনলাইন ব্যবস্থার ফাঁকফোকর এবং প্রশাসনের চরম উদাসীনতা নিয়েই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।