স্বাস্থ্য বীমা কেনার আগে এই ৫টি গোপন শর্ত না জানলে চরম বিপদ!
August 30, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
আজকাল লাফিয়ে বাড়তে থাকা চিকিৎসার খরচের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই দ্রুত হেলথ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বীমা করিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু কম প্রিমিয়ামের লোভে বা তাড়াহুড়ো করে পলিসি কেনার সময় শর্তাবলী ঠিকমতো না পড়লে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে।
বীমা কেনার সময় যে ৫টি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন:
- ক্যাশলেস চিকিৎসার ভুল ধারণা: ক্যাশলেস মানেই হাসপাতাল পুরোপুরি নিখরচা নয়। মাস্ক, গ্লাভস, সিরিঞ্জ বা পিপিই কিটের মতো ব্যবহার্য জিনিসের খরচ অনেক সময়ই বীমা কো ম্পা নি দেয় না। এছাড়া হাসপাতালের অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক ফি নিজেকেই মেটাতে হয়।
- রুম ভাড়ার নির্দিষ্ট সীমা (Room Rent Limit): পলিসিতে নির্দিষ্ট রুম রেন্টের সীমা থাকে। সেই সীমার চেয়ে বেশি দামি ঘর নিলে শুধুমাত্র ঘরের ভাড়াই নয়, চিকিৎসার অন্যান্য খরচের ওপরও ‘প্রপোর্শনেট ডিডাকশন’ বা আনুপাতিক হারে কাটছাঁট করা হয়। রোবোটিক সার্জারির মতো আধুনিক চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বিশেষ নিয়ম থাকে।
- এজেন্টের কথায় অন্ধ বিশ্বাস নয়: এজেন্ট কী আশ্বাস দিচ্ছেন তা বড় কথা নয়, দাবির (Claim) সময়ে পলিসির কাগজে লিখিত নিয়মই চূড়ান্ত। তাই মৌখিক প্রতিশ্রুতি নথির সাথে মিলিয়ে নিন।
- পুরোনো রোগ না লুকানো: ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো পুরোনো অসুখ প্রিমিয়াম বাড়ার ভয়ে লুকিয়ে রাখলে, পরবর্তীতে ক্লেম সম্পূর্ণ বাতিল হতে পারে। শুরুতেই সঠিক তথ্য দিন।
- সস্তার লোভে না ভুল করা: সবচেয়ে কম প্রিমিয়ামের প্ল্যানে প্রায়ই ‘কো-পেমেন্ট’ (দাবির কিছু অংশ নিজের পকেট থেকে দেওয়া), সাব-লিমিট বা দীর্ঘ ওয়েটিং পিরিয়ডের মতো কঠিন শর্ত যুক্ত থাকে। তাই প্রিমিয়ামের চেয়ে পলিসির কভারেজকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া জরুরি।