নেপাল বিপর্যয় কি শুধুই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো ভয়ংকর রহস্য?
বার্তা ডেস্কঃ
২৬ অগস্টের ভয়াবহ হড়পা বানের মাত্র তিন মাস আগে হিমবাহের গতিবিধি ও আবহাওয়ার আগাম তথ্য চেয়ে চিনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিল নেপাল। কাঠমান্ডুর স্পষ্ট অভিযোগ, তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন ওই বৈঠকে পর্যাপ্ত ও সময়মতো তথ্য সরবরাহ করেনি বেজিং। হিমবাহের হ্রদ ও জলস্তর সম্পর্কিত রিয়েল-টাইম তথ্যের অভাবে আগাম প্রস্তুতিতে বড়সড় খামতি থেকেই গিয়েছিল বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। যদিও চিনের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়েই প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। দুর্গম হিমালয় অঞ্চলে নজরদারির সীমাবদ্ধতার কারণে এই মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো সম্ভব হয়নি।
এই প্রলয়ঙ্কর বিপর্যয়ে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে আটশোতের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। ত্রিশূলী নদীর অববাহিকায় হুড়মুড়িয়ে নেমে আসা জলের তোড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে একাধিক সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। ঘটনার জেরে নেপালের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার দশ শতাংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে চিনের সঙ্গে আরও উন্নত ও দ্রুত তথ্য আদানপ্রদানের জন্য নতুন চুক্তির পথ খুঁজছে নেপাল প্রশাসন।