নেপালের মহাবিপর্যয় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে চাঞ্চল্যকর দাবি!
বার্তা ডেস্কঃ
হিমবাহ ধসে নদীতে হড়পা বানের এক সপ্তাহ পরেও নেপালে চলছে লাশের মিছিল। নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১২২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং নিখোঁজ চার হাজারের বেশি মানুষ, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৩৭ জনও রয়েছেন। সেনা ও উদ্ধারকারীরা দিনরাত এক করে ১২ হাজারের কাছাকাছি মানুষকে উদ্ধার করেছেন। এই মর্মান্তিক সংকটকালে ভারত ইতিমধ্যেই সাড়ে ৫ টন ওষুধ ও ১১ সদস্যের বিশেষ দলসহ মোট ৭৪ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে এই বিপর্যয়ের বিষাক্ত প্রভাব পড়েছে বিহারের নদীগুলোতেও, যার ফলে বিষাক্ত মাছ খাওয়া ও পানের জল দূষিত হওয়া নিয়ে জারি হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।
তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাঠমান্ডুর এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপে। এই ভয়াবহ ধ্বংসলীলার জন্য বিশ্বজুড়ে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকে দায়ী করে নেপাল সরাসরি আমেরিকা, ভারত ও চিনের দিকে আঙুল তুলেছে। কাঠমান্ডু পরিষ্কার জানিয়েছে যে এটি কোনোরকম দয়াদাক্ষিণ্য বা সাহায্যের বিষয় নয়, বরং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হাত থেকে রক্ষা পেতে তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া এই তিন বড় শক্তির আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই দাবি জোরালোভাবে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম কূটনৈতিক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে নেপাল সরকার।