গ্ল্যামারের আড়ালে নিভে যাওয়া সেই তারকারা: কেন এমন পরিণতি?
বার্তা ডেস্কঃ
September 11, 20269:33 am
আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। আলো ঝলমলে বিনোদন জগতের চাকচিক্যের অন্তরালে যে এক গভীর অন্ধকার ও নীরব যন্ত্রণা লুকিয়ে থাকে, এই দিনটি সেই কঠিন সত্যকেই আবার সামনে এনে দেয়। খ্যাতি, অর্থ আর কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও জীবনের কঠিন মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন একাধিক প্রতিভাবান তারকা। তাঁদের এই অকালমৃত্যুর ধাক্কা আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি দেশবাসী।
মানসিক চাপ ও নিঃসঙ্গতার শিকার
২০২০ সালের জুন মাসে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আকস্মিক প্রয়াণ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা এই তারকার ট্র্যাজেডি বিনোদন জগতের মানসিক স্বাস্থ্য, একাকীত্ব ও বিষণ্নতা নিয়ে জাতীয় স্তরে এক বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
একইভাবে ২০১৩ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে ‘নিঃশব্দ’ খ্যাত অভিনেত্রী জিয়া খানের প্রয়াণ কিংবা ২০১৬ সালে জনপ্রিয় টিভি ধারাবাহিক ‘বালিকা বধূ’-র ‘আনন্দী’ চরিত্র খ্যাত ২৪ বছর বয়সী প্রত্যুষা ব্যানার্জীর বিদায় অনুরাগীদের গভীরভাবে ব্যথিত করে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে অভিনেতা কুশল পাঞ্জাবী এবং ২০২০ সালে তরুণী অভিনেত্রী সেজল শর্মার মর্মান্তিক পরিণতিও প্রমাণ করেছে—রুপালি পর্দার জনপ্রিয়তার পেছনেও প্রতিটি মানুষের অন্দরে চলতে থাকে এক অদৃশ্য মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ।
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে এই তারকাদের স্মরণ করার প্রকৃত উদ্দেশ্য কেবল তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো নয়, বরং আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য ও ডিপ্রেশন নিয়ে যে কোনো দ্বিধা ছাড়া খোলামেলা কথা বলা কতটা জরুরি, তা নতুন করে উপলব্ধি করা।