একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় পুজোয় বইয়ের স্টলে ‘দুর্গাপুজো’ লেখা বাধ্যতামূলক? মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে পাত্তা দিচ্ছে না পুরুলিয়ার সিপিএম
বার্তা ডেস্কঃ
September 13, 202612:35 pm
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী বইয়ের স্টলের নামকরণে ‘দুর্গাপুজো’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হলেও, সে বিষয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ পুরুলিয়ার সিপিএম নেতৃত্ব। দেড় দশক ধরে ক্ষমতাচ্যুত হলেও প্রতিবারই পুজোর দিনগুলিতে পুরুলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে মার্কসবাদী সাহিত্য এবং মুক্তচিন্তার বইয়ের স্টল দেয় সিপিএম। এ বারেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না, বরং গতবারের তুলনায় স্টলের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।
স্টলে ‘দুর্গাপুজো’ শব্দটি লেখা প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা সিপিএমের সম্পাদক প্রদীপ রায় জানান, কোথায় ওই শব্দ লেখা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়, তাই তা নিয়ে তাঁরা ভাবছেন না। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি, ডিওয়াইএফআইয়ের জেলা সভাপতি সুব্রত মাহাতো বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর অতীতের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রসঙ্গ টেনে কটাক্ষ করে জানান, অতীতে ‘শারদ উৎসব’ শব্দে আপত্তি না থাকলেও আজ কেন এই আপত্তি তৈরি হলো, সেটাই স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে পুরুলিয়ায় বিজেপির ভালো ফল হওয়ায় গেরুয়া শিবিরও দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বইয়ের স্টলের সংখ্যা বাড়াতে সক্রিয়। জেলা বিজেপির শীর্ষ নেতাদের দাবি, স্টলে ‘দুর্গাপুজো’ শব্দ লেখা আবশ্যক। তবে এই বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে কোনও কড়া নজরদারি চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তাঁরা। সবমিলিয়ে, পুজোর মরশুমে পুরুলিয়ায় বইয়ের স্টল ও তার নামকরণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ এখন থেকেই চড়তে শুরু করেছে।