একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ডেঙ্গির কবলে কলকাতা: পুজোর আগে হাজার পার আক্রান্ত, কোন ওয়ার্ডগুলিতে বাড়ছে বিপদ?
বার্তা ডেস্কঃ
September 13, 20266:33 pm
শহরজুড়ে যখন শারদোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক তখনই তিলোত্তমায় চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। উৎসবের আনন্দ ম্লান করতে পারে এমন পরিস্থিতি এড়াতে তৎপর হয়েছে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভেক্টর কন্ট্রোল টিম।
সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কোন এলাকাগুলি?
শহরের ১৬টি বোরোর মধ্যে ৫টি বোরোতেই প্রায় ৬৮ শতাংশ রোগী চিহ্নিত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে ২, ৭, ৮, ৯ এবং ১৬ নম্বর বোরোতে। মশার লার্ভা মেলার তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ১৬ নম্বর বোরো, যেখানে ২৮১টি স্থান থেকে লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ১০ এবং ৯ নম্বর বোরো।
পরিস্থিতি সামলাতে পুরসভার বিশেষ অভিযান
সংক্রমণ রোধে পুরসভা সম্প্রতি একটি তিন দিনের মেগা ড্রাইভ পরিচালনা করেছে:
- প্রায় ৯৩,০০০টি পাত্র পরীক্ষা করে ১,৮০০টি জায়গায় মশার লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে।
- ৩২,৫০০টি বাড়িতে বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়েছে।
- ৬৮টি নির্মাণাধীন বাড়ি, ৪২টি আবর্জনাপূর্ণ ফাঁকা জমি এবং ২২টি মজে যাওয়া পুকুর পরিষ্কার করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের করণীয়
পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, আবহাওয়ার এই পরিবর্তন ডেঙ্গি ছড়ানোর প্রধান সময়। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে: ১. বাড়ি ও আশপাশে জল জমতে না দেওয়া। ২. মশার কামড় এড়াতে মশারি ব্যবহার করা। ৩. জ্বর বা উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ওয়ার্ড হেলথ ইউনিটে যোগাযোগ করা।