একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘১৭ সাংসদ নিয়ে বিজেপিতে!’ পুজোর আগেই মেগা দলবদলের ধামাকা দাবি জগদীশের
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20268:05 am
কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতিতে ফের এক বড়সড় মেগা দলবদলের ইঙ্গিত উসকে দিলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের মধ্যে ১৭ জন খুব শিগগিরই—দুর্গাপুজোর ঠিক আগে বা পরে—সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। এই বিস্ফোরক দাবিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোড়ন।
অ্যান্টি-ডিফেকশন আইন বাঁচানোর অঙ্ক জগদীশ বসুনিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) বা আইনি জটিলতা এড়াতেই এই ধাপে ধাপে দলবদলের সুচিন্তিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি জানান, বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৭ জন একসঙ্গে দল ছাড়ছেন, যা মোট সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি। ফলে আইনগতভাবে তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সংখ্যালঘু সাংসদদের নিয়ে বিশেষ রণকৌশল বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৩ জন—আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান এখনই সরাসরি পদ্মশিবিরে যোগ দিচ্ছেন না। নিজ নিজ এলাকার জনবিন্যাস ও রাজনৈতিক সমীকরণের কথা মাথায় রেখে কৌশলগতভাবেই তাঁদের আলাদা রাখা হয়েছে। সরাসরি দলবদল না করলেও তাঁরা এনডিএ (NDA) জোটের অংশ হিসেবে কাজ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নানা দায়িত্ব পেতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বিজেপি ও তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া এই চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে চর্চা শুরু হলেও রাজ্য বিজেপি বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার জানান, এমন কোনো ঘটনা ঘটছে না এবং এর সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতোমধ্যেই এই বিদ্রোহী সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।