একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় “হিন্দি কোনো ভাষার প্রতিযোগী নয়, মেলবন্ধনের সেতু”: হিন্দি দিবসে অমিত শাহের বড় বার্তা
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20268:03 am
নয়াদিল্লি: হিন্দি ভারতের কোনো আঞ্চলিক বা দেশীয় ভাষার প্রতিযোগী নয়, বরং এটি বিচিত্র ভাষাগোষ্ঠীর মধ্যে সংযোগ তৈরির এক অনন্য সেতু— হিন্দি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভারতের বহুভাষিক বৈচিত্রকে দেশের দুর্বলতা নয়, বরং সবচেয়ে বড় শক্তি বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একই মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৯ সালের আগেই দেশের অন্তত ২১টি এনডিএ শাসিত রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) কার্যকর করা হবে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ঐতিহ্য ১৯৪৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সংবিধান সভা দেবনাগরী হরফে লিখিত হিন্দিকে সরকারি ভাষার মর্যাদা দিয়েছিল। সেই স্মৃতি স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বরাজ প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য গঠনে সমস্ত ভারতীয় ভাষার সঙ্গে হিন্দিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ইতিহাসের উদাহরণ ও নেতৃত্ব বক্তব্যের সমর্থনে অমিত শাহ দেশের বরেণ্য নেতাদের অবদান তুলে ধরেন:
- স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী: গুজরাটি মাতৃভাষা হওয়া সত্ত্বেও নিজের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘সত্যার্থ প্রকাশ’ হিন্দিতে লিখেছিলেন।
- নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু: বাঙালি হয়েও আজাদ হিন্দ ফৌজের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে হিন্দিকে বেছে নেন এবং ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান দেন।
- মহাত্মা গান্ধী: ১৯১৮ সালে তৎকালীন মাদ্রাজে ‘দক্ষিণ ভারত হিন্দি প্রচার সভা’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
ঔপনিবেশিক মানসিকতা বর্জন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরাধীন মানসিকতা থেকে মুক্তির আহ্বানের প্রসঙ্গ টেনে শাহ জানান, দিল্লির ‘রাজপথ’-এর নাম বদলে ‘কর্তব্য পথ’ রাখা কিংবা ব্রিটিশ আমলের দণ্ডবিধি বদলে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ চালু করা কেবল শব্দের পরিবর্তন নয়; এটি ভারতের আত্মমর্যাদা ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।