একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতির রংবদল? ১৭১ কলেজে পরিচালন সমিতির শীর্ষে সেই বিজেপির মুখেরা
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20262:10 pm
ক্ষমতায় এসে শিক্ষাঙ্গনকে ‘রাজনীতিমুক্ত’ করার বার্তা দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্র তা বলছে না। সম্প্রতি রাজ্যের আরও ১৭১টি সরকারপোষিত কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির নতুন তালিকা প্রকাশ হতেই রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে গত অগস্টে ২৪৭টি কলেজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। নতুন তালিকাতেও সিংহভাগ কলেজের শীর্ষপদে বসানো হয়েছে বিজেপির প্রবীণ নেতা, বিধায়ক, সাংসদ ও বিশিষ্ট পদাধিকারীদের।
কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং দার্জিলিংয়ের মতো বিভিন্ন জেলার একাধিক কলেজে এই দলীয় নিয়োগের ছায়া স্পষ্ট।
কলকাতার বিশিষ্ট কলেজে দায়িত্বে যাঁরা:
- সুরেন্দ্রনাথ কলেজ: বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ
- সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ফর উইমেন: প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজ: শিশির বাজোরিয়া
- বাসন্তী দেবী কলেজ: শশী অগ্নিহোত্রী
- হেরাম্বা চন্দ্র কলেজ: রাজকমল পাঠক
- সম্মিলনী মহাবিদ্যালয় (দক্ষিণ ২৪ পরগনা): বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়
জেলাগুলিতেও একই ছবি ধরা পড়েছে। পুরুলিয়ার বলরামপুরের একটি কলেজে পরিচালন সমিতির সভাপতি পদে বসানো হয়েছে স্থানীয় সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতোকে।
তৃণমূল জমানায় কলেজের পরিচালনা সমিতিতে শাসকদলের নেতা-বিধায়কদের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী বিজেপি। গত মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর পুরানো পদাধিকারীদের ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ জারি করায় শিক্ষাঙ্গন রাজনীতিমুক্ত হওয়ার আশা জেগেছিল। কিন্তু পর পর দুটি তালিকায় দলীয় নেতাদের এই আধিপত্য দেখে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত— শাসক পরিবর্তন হলেও শিক্ষাঙ্গনে দলীয়করণের পুরোনো ধারাই বজায় রইল।