একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবসান জমি-বিবাদের, সহপাঠীর অভিযোগের মুখে নতিস্বীকার বিজেপি বিধায়কের
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20262:12 pm
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপে অবসান ঘটল দীর্ঘদিনের এক জটিল জমি-বিবাদের। প্রধানমন্ত্রীর স্কুলের সহপাঠী ৮১ বছর বয়সী আসগর আলি ভোরার অভিযোগের পর বাধ্য হয়ে পিছু হঠলেন মহারাষ্ট্রের মীরা-ভায়ান্দারের বিজেপি বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতা। বিতর্কিত জমির দখল ও নির্মাণ কাজের অনুমতি ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি বৃদ্ধ ভোরার বিরুদ্ধে করা পুলিশ অভিযোগও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত ১৯৮৯ সালে। গুজরাটের ভাদনগরের বিএন স্কুলে মোদির সঙ্গে পড়াশোনা করা আসগর আলি ভোরা মহারাষ্ট্রের নাভঘর এলাকায় ২,৮১০ বর্গমিটার একটি জমি কেনেন। অভিযোগ, ২০১১ সালে তাঁর অজান্তে জাল নথি তৈরি করে জমিটি হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়, যার সঙ্গে যুক্ত ছিল বিধায়ক মেহতা-ঘনিষ্ঠ সংস্থা ‘সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশন’। স্থানীয় পুরসভার কাছে জালিয়াতির অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েও দীর্ঘ দিন ধরে কোনো সুরাহা পাননি বৃদ্ধ ভোরা।
অবশেষে গত ৮ সেপ্টেম্বর সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করে পুরো বিষয়টি তুলে ধরে সাহায্য চান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে মহারাষ্ট্র প্রশাসন। গত মঙ্গলবার রাজ্য সচিবালয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব শ্রীকর পারদেশির নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পুর কমিশনার, টাউন প্ল্যানার এবং অভিযোগকারী ভোরার উপস্থিতিতে আপসে বাধ্য হন বিজেপি বিধায়ক মেহতা। টাউন প্ল্যানিং দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে বিতর্কিত জমির দাবি ত্যাগ, নির্মাণের অনুমতি ফেরত এবং ভোরা পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। মোদির প্রত্যক্ষ পদক্ষেপে দীর্ঘ লড়াই শেষে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল ভোরা পরিবার।